
রিতব্রত ব্যানার্জীর NCPI‑এর নতুন ঝাঁকুনি: বিধানসভার তৃণমূল বিধায়করাও মিশবেন কি?
রিতব্রত ব্যানার্জীর NCPI‑এর পদক্ষেপে কলকাতা হাইকোর্টের দরজায় চ্যালেঞ্জের ঝড়। সংসদ সদস্যদের যোগদানের পর তৃণমূল বিধায়করাও নতুন দলে মেশার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।
কলকাতার হাইকোর্টের দরজায় জোড়াফুল শিবিরের চ্যালেঞ্জের ঝড় উঠেছে, যখন NCPI‑এর স্পিকার রিতব্রত ব্যানার্জী সদস্য ৬৫ এ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দলীয় রীতিতে বিরাট পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন। আদালতে চ্যালেঞ্জের কারণ হল স্পিকারের পদক্ষেপকে অননুমোদিত বলে গন্য করা, যা রাজনৈতিক জগতের তীব্র উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। এই ঘটনা শুধু জাতীয় পর্যায়ে নয়, রাজ্যের বিধানসভার তৃণমূল বিধায়করাও নতুন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন।
গতকাল সংসদ সদস্যদের NCPI‑এ যোগদানের পর রাজনৈতিক মহলে তাড়াতাড়ি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, যে এখন বিধানসভার বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়করাও একই পথে হেঁটে নতুন দলে যোগ দেবেন। তৃণমূল দলীয় কাঠামোর অভ্যন্তরে এখন একধরনের বিভাজন দেখা যায়, কিছু বিধায়ক দলে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি খোঁজার কথা বলছেন, আবার অন্যরা ঐতিহ্যবাহী সড়কে থাকা পছন্দ করছেন।
এই পরিস্থিতি তৃণমূলের শক্তি সঞ্চালনে কী প্রভাব ফেলবে, তা এখনো অনিশ্চিত। যদি বেশিরভাগ বিধায়ক NCNC‑এর সঙ্গে জোট বাঁধেন, তবে তৃণমূলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হ্রাস পাবে এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে নতুন সমীকরণ গড়ে উঠবে। অন্যদিকে, যদি তারা একত্রে বিরোধী শক্তি গঠন করেন, তবে রাজ্যের শাসন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটতে পারে।
প্রতিবাদের মুখে রিতব্রত ব্যানার্জীর এই পদক্ষেপের ফলাফল এখনো আদালতে নির্ধারিত হবে, তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একমত যে এই সংঘাতের পরিণতি রাজ্যের আইনসভা ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে।
উপসংহারে বলা যায়, NCPI‑এর এই বড় আপডেট বিধানসভার ভবিষ্যৎকে নতুন মোড়ে ঘুরিয়ে দিচ্ছে, আর শেষ পর্যন্ত কী হবে তা সময়ই প্রকাশ করবে।



