লন্ডনের রাজপথে অবাক করা দাবি বাংলাদেশি যুবকের, বললেন, ‘দিদির রাজত্বে ফিরতে চাই’
international১৮ অক্টোবর, ২০২৬১ মিনিট পড়ুন

লন্ডনের রাজপথে অবাক করা দাবি বাংলাদেশি যুবকের, বললেন, ‘দিদির রাজত্বে ফিরতে চাই’

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX

লন্ডনে ধ্রুব রাঠির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে এক বাংলাদেশি যুবক দাবি করলেন যে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ‘দিদির রাজত্বে’ ফিরতে চান। প্রবাসে এই অদ্ভুত দাবি ঘিরে এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক চর্চা চলছে।

লন্ডনের রাজপথ এখন রাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে সম্প্রতি ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সবাইকে চমকে দিলেন এক বাংলাদেশি যুবক। ভারতীয়দের প্রতিবাদের ভিড়ে ওই যুবকের উপস্থিতি যেমন নজর কাড়ল, তেমনই তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজনীতি নিয়ে তাঁর করা দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

প্রতিবাদ কর্মসূচির মাঝে যখন ধ্রুব রাঠি ও অন্যান্যরা তাঁদের বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক তখনই ওই বাংলাদেশি যুবক কথা বলতে শুরু করেন। তিনি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে দাবি করেন যে, তিনি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শাসনব্যবস্থার প্রতি আকৃষ্ট এবং সেই ‘দিদির রাজত্বে’ তিনি ফিরতে চান। প্রবাসে থেকেও বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক কাজকর্মের যে প্রভাব তাঁর ওপর পড়েছে, তা-ই তিনি এভাবে প্রকাশ করলেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশের মাটিতে এই ধরনের মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সাধারণত প্রবাসে ভারতীয় রাজনীতির চর্চা চললেও, একজন বিদেশি নাগরিকের মুখে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসন praising বা প্রশংসা শোনা যাওয়া বিরল। ওই যুবকের কথা বলার ধরন এবং তাঁর দাবি প্রমাণ করে যে, আন্তর্জাতিক স্তরেও বাংলার রাজনৈতিক ব্র্যান্ডিং এক বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

তবে এই ঘটনাটি কেবল একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। কেউ একে সাধারণ আবেগ বলে মনে করছেন, আবার কেউ দেখছেন এর রাজনৈতিক গুরুত্ব।

সামগ্রিকভাবে, লন্ডনের এই বিক্ষোভ সমাবেশটি শেষ পর্যন্ত এক অদ্ভুত মোড় নিল। ধ্রুব রাঠির প্রতিবাদের মঞ্চ থেকে একজন বাংলাদেশি যুবকের মুখে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির কথা শোনা যাওয়া আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিল। শেষ পর্যন্ত এই ঘটনাটি প্রমাণ করল যে, রাজনীতির সীমানা এখন আর কেবল দেশের borders-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

এই খবরটি শেয়ার করুন

শেয়ার করুন:WhatsAppFacebookTelegramX